স্বপ্নের বাংলাদেশ ডেস্ক ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৯:৩২
২০,৪৮৭ কোটি টাকা, জুলাই-ডিসেম্বরে সঞ্চয়পত্র বিক্রির পমারিণ দাঁড়িয়েছে। যা গেল অর্থবছরের একই সময়ের পরিমান ছিল ৫,৪৩৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ নিট বিক্রি বেড়েছে প্রায় ৪ গুণ।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রির তথ্য প্রকাশ করেছে।
করোনায় বিপর্যস্ত অর্থনীতিতে মানুষের আয় কমে গেলেও সঞ্চয়পত্র বিক্রির পরিমান গেল অর্থবছরের তুলনায় এতো বেশি বাড়ার কারণ জানতে চাইলে পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউট এর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, যাদের আয় কমে গেছে তারা হয়তো সঞ্চয়পত্র কিনছে না।
তিনি বলেন, বর্তমানে ব্যাংক আমানতের সুদহারের চেয়ে সঞ্চয়পত্রের সুদহার তিন গুণ বেশি। নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগের হিসেবে এখন সঞ্চয়কারীরা এটিকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।
অর্থমন্ত্রণালয় গেল বছরের ডিসেম্বরে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এবং পরিবার সঞ্চয়পত্র—এ তিনটি মিলে সমন্বিত বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা হবে একক নামে ৫০ লাখ টাকা অথবা যৌথ নামে এক কোটি টাকা।
তবে আসছে দিনগুলোতে সীমা বেধে দেয়ার ফলেই হয়তো সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে কিছুটা ভাটা পড়তে পারে বলে তার ধারণা।
তবে অর্থ বছর শেষে এই বিক্রির পরিমাণ ৩৫ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছেন আহসান এইচ মনসুর।
তিনি বলেন, যেহেতু বিনিয়োগের বিকল্প ভালো কোন মাধ্যম নেই তাই সীমা বেঁধে দিলেও নানা কৌশলে সঞ্চয়পত্রেই বিনিয়োগের চেষ্টা করবেন সঞ্চয়কারীরা। যারা পারবেন না তারা যাবেন জমি ও ঘরবাড়ি কেনায়। এর প্রভাবে রিয়েল স্টেট সেক্টরে বাবল তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আছে বলে তার অভিমত।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) গ্রাহকদের সঞ্চয়পত্রের মূল টাকা ও মুনাফা বাবদ সরকার পরিশোধ করেছে প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার কোটি টাকা, যা গেল অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি।
প্রধান সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবুল বশির
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মনির হোসেন
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫
মোবাইলঃ +৮৮ ০১৮১৩ - ৮১৮৬৯৬
ফোনঃ +৮৮ ০২ - ৫৫০১৩৯৩৯
ইমেইলঃ shwapnerbd@gmail.com