স্বপ্নের বাংলাদেশ ডেস্ক ৩০ মার্চ ২০২১, ১৬:০৮
মহান স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে একমাত্র বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার অধিকার অর্জন করেছিলেন- “শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম এর সভাপতিত্বে ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ পরিচালনা কমিটির সদস্য মতিউর রহমান লাল্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপচার্য ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচায্য, ড. আব্দুল মান্নান, ঢাকা প্রকৌশল বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপচার্য ড. হাবিবুর রহমান, সংসদ সদস্য মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু পরিষদ পরিচালনা কমিটির সদস্য ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মানুন, আব্দুল মতিন ভূইয়া, ড. লিয়াকত হোসেন মোড়ল, ড. অরুণ কুমার গোস্বামী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গনিত বিভাগের অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় এর অধ্যাপক, ড. মোঃ খাদেমূল ইসলাম, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, ড. মশিউর রহমান প্রমুখ।
আলোচনায় অংশ নিয়ে অজিত কুমার সরকার বলেন, বঙ্গবন্ধুই একমাত্র নেতা যিনি বাংলাদেশর স্বাধীনতা ঘোষণার সাংবিধানিক, আইনগত ও বৈধ অধিকার অর্জন করেছিলেন। ড. অরুণ কুমার গোস্বামী বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বেঈমান খন্দকার মোশতাক ও মেজর জিয়াউর রহমান যড়যন্ত্র করেছিল। তারা দেশ প্রেমিক ছিলেন না। পাকিস্তানের গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে নানাভাবে বিরোধীতা করেছেন।
ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার বলেন, “স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী নানাভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এই বছর আমরা জাতির পিতার জন্মশত বাষির্কী পালন করছি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি আর তাঁরই কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ স্বপ্লোন্নত দেশ থেকে উন্নয়শীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শিত পথেই এগিয়ে চলেছে দেশ শফিকুর রহমান এম.পি বলেন “বাঙালি জাতীয়তাদের ভিত্তিতে জাতি রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব একমাত্র শেখ মুজিবের। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না এবং যুদ্ধে কোথাও তার ভূমিকা নেই। তিনি ইতিহাসে একজন খলনায়ক, বেঈমান হিসেবেই থাকবেন। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন ৭১ সালের মিমাংশিত বিষয় নিয়ে বিএনপি-জামায়াত শিবির চক্র আবার মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়েছে। অযথা স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক করছে। বঙ্গবন্ধুর মূল্যায়ণ বিশ্ব করছে। বঙ্গবন্ধুর সমতুল্য জিয়াকে তুলনা করা জ্ঞানপাপীরাই করতে পারে।
ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণই আমাদের স্বাধীনতার মূল দিকনির্দেশনা। তাছাড়া পাকিস্তানের ২৩ বছরের আন্দোলন সংগ্রাম এর নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বাঙালির অবিসংবাদিত নেতাই ভূষিত হয়েছেন। ড. আব্দুল মান্নান বলেন “বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সমার্থক শব্দ। বঙ্গবন্ধু তাঁর আদর্শ, মতবাদ, সংগ্রাম, দেশপ্রেম, ভালোবাসা দিয়েই মহান নেতা হয়ে ছিলেন। তিনি আছেন, থাকবেন চিরদিন, অনন্তকাল।
ড. লিয়াকত হোসেন মোড়ল বলেন, যে চার মূলনীতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের সৃষ্টি, খুনি জিয়াউর রহমান অবৈধ ভাবে ক্ষমতা দখল করে তা ক্ষত-বিক্ষত করেছে। আমাদের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতেই হবে। ডা. আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন “স্বাধীনতার স্বপ্নপূরণ করতে পারলেই আমরা বঙ্গবন্ধুর প্রতি যথার্থ মর্যাদা দিতে পারবো।
আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির ঐক্যের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির বিষদাঁত ভেঙ্গে দিতে পারি। সভাপতির বক্তব্য মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেন “বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা। ২৬শে মার্চ তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা দেন। তাঁর ডাকে আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি। বঙ্গবন্ধুকে অপমান করার শক্তি কারো নেই। ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর স্থান নির্ধারণ হয়ে আছে।
আজ হেফাজত, বিএনপি-জামায়াতচক্র দেশে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, তার সমুচিত জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ পরিচালনা কমিটির সদস্য অজিত কুমার সরকার, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, আবুল হোসেন, খন্দকার, নজরুল ইসলাম, এস,এম, লুৎফর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি নেছার আহাম্মদ ভূইয়া, আইসিবি ব্যাংক এর সাধারণ সম্পাক মোঃ আলাউদ্দিন, কলাবাগন থানা বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান মিন্টু, জামালপুর জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি নাহিদ নূর আলোসহ বঙ্গবন্ধু পরিষদ, কেন্দ্রীয়, মহানগর এবং বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমূহের নেতৃবৃন্দ।
মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু পরিষদ, সোনালী ব্যাংক শাখা ৩জন গুনী ব্যক্তিকে সন্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করে। তারা হলেন বিশষ্ট বৃদ্ধিজীবী, লেখক কলামিষ্ট বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এ মালেক, মাহবুবউদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ও সংসদ সদস্য মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।
প্রধান সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবুল বশির
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মনির হোসেন
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫
মোবাইলঃ +৮৮ ০১৮১৩ - ৮১৮৬৯৬
ফোনঃ +৮৮ ০২ - ৫৫০১৩৯৩৯
ইমেইলঃ shwapnerbd@gmail.com