স্বপ্নের বাংলাদেশ ডেস্ক ০৩ এপ্রিল ২০২১, ১১:২৫
রাজধানীর বিপণিবিতানগুলোতে সংক্রমণের ঝুঁকি উপেক্ষা করেই বাড়ছে ক্রেতাসমাগম। ঈদকে সামনে রেখে এ সংখ্যা আরো বাড়বে কয়েক গুণ।
দোকান মালিক সমিতি জানিয়েছে, সুরক্ষা নিশ্চিতে সরকারের নির্দেশনার আলোকেই মার্কেট তদারকি করছেন তারা। তবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের অনেকেই সামাজিক দূরত্ব মানতে এখনো উদাসীন।
রাজধানীর নিউমার্কেট জোন। পাশের চন্দ্রিমা, গাউছিয়া, চিশতিয়া, অ্যালিফেন্ট রোডের ছোট-বড় বিপণিবিতানগুলোতে সপ্তাহের ছয় দিনই ক্রেতাসমাগম হয়ে থাকে লক্ষাধিক। আর ঈদ এলে তো কথাই নেই। উপচেপড়া ভিড় থাকে দুই ঈদের আগেই। সামনে ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বিপুল পরিমাণ ক্রেতাসমাগমে করোনা পরিস্থিতি আরো খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও মালিক সমিতি বলছে, সরকারের নির্দেশনা মেনেই তারা মার্কেট পরিচালনা করছেন। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে জোনভিত্তিক মার্কেট খোলা রাখার পরামর্শ দেন তারা।
গাউছিয়া মাকের্ট দোকান মালিক সমিতির সহসাধারণ সম্পাদক ফজলে মাহমুদ শিকদার বলেন, মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার সবকিছু রাখা আছে। গতবার সরকার যে নির্দেশনা দিয়েছিল সেগুলোও এর মধ্যে আমরা মেনে গেছি।
এদিকে মার্কেটের চিত্র বলছে কোনো শঙ্কাই নেই ক্রেতাদের। নিউমার্কেটসহ আশপাশের কয়েকটি মার্কেটে একই অবস্থা। উপচেপড়া ক্রেতাদের মাঝে উদাসীনভাবেই ঘোরাফেরা ও কেনাকাটা করছেন অনেকেই। কারো মুখে মাস্ক নেই, আবার থাকলেও পড়ছেন না ঠিকভাবে। বিক্রেতাদেরও দেখা যায়, মাস্কহীন লেনদেনে। শুধু মাস্ক নয় সামাজিক দূরত্বেরও কোনো বালাই নেই।
আগের থেকে ২ ঘণ্টা কমিয়ে বর্তমানে সকাল ১০ থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলছে নীলক্ষেত এলাকার মার্কেটগুলো।
প্রধান সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবুল বশির
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মনির হোসেন
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫
মোবাইলঃ +৮৮ ০১৮১৩ - ৮১৮৬৯৬
ফোনঃ +৮৮ ০২ - ৫৫০১৩৯৩৯
ইমেইলঃ shwapnerbd@gmail.com