নেত্রকোণা প্রতিনিধি ১০ মে ২০২২, ২৩:২৩
কৃষ্ণচূড়া লোহিত লাল রংয়ের ফুল।বর্তমানে বিলুপ্তির পথে সেই চির চেনা কৃষ্ণচূড়া। কৃষ্ণচূড়া গাছটি অনেকটা মাঝারি আকারের, মাথার দিকটা এলোমেলো আর ডালগুলো নিচের দিকে নুয়ে থাকে। পাতাগুলো খুবই সুন্দর, বড় একটা ডাঁটার ডালে চিকন চিকন সবুজ পাতা, দেখতে অনেকটা ঝালরের মতো। শীতে সবগুলো পাতা ঝরে যায়। তখন ন্যাড়া গাছে ঝুলতে থাকে কালচে রঙের চ্যাপ্টা ফলগুলো। কিন্তু গরমের শুরুতে একপশলা বৃষ্টি হলেই মরা ডালে নতুন পাতার আগেই ফুলের কুঁড়িগুলো উঁকি দিতে শুরু করে। তখন গাঢ় লাল রঙের ফুলে ফুলে ভরে ওঠে গাছ। দূর থেকে গোটা গাছটিকেই একটি বিশাল ফুলের তোড়া মনে হয়।
কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। এটি ফাবাসিয় পরিবারের অন্তর্গত।
জানা গেছে, কৃষ্ণচূড়ার আদি নিবাস পূর্ব আফ্রিকার মাদাগাষ্কায়। ভীনদেশী এ ফুলের বৃক্ষগুলো,বাংলাদেশে এসে নতুন নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। ধারণা করা হয় রাধাঁ ও কৃষ্ণের নাম মিলিয়ে এ বৃক্ষের নাম হয়েছে কৃষ্ণচূড়া। এর বড় খ্যাতি হলো গ্রীষ্মে যখন এই ফুল ফোটে, এর রূপে মুগ্ধ হয়ে ব্যস্ত পথচারীও থমকে দাড়ায়। এ ফুলের সৌরভে শালিক, কোকিল, ঘুঘুসহ দেশি প্রজাতির নানা পাখি আনন্দে মাতোয়ারা।
বাংলাদেশে মূলত দুই ধরনের কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটতে দেখা যায়। একটি আগুনের মত উজ্জ্বল লাল, অন্যটি লাল ও সামান্য হলদে। তবে লাল কৃষ্ণচূড়ার প্রাচুর্য্যই বেশি চোখে পড়ে। লাল হলদে রঙের কৃষ্ণচূড়া বর্তমানে বিরল।
সৌভাগ্যক্রমে নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ গাছটি এখনো টিকে রয়েছে।
সড়কের পাশে দন্ডিত কৃষ্ণচূড়া গাছে লাল রঙের হাজারো ফুল ফুটিয়ে প্রকৃতিতে এনেছে এক অন্যরকম মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য্য।
প্রধান সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবুল বশির
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মনির হোসেন
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫
মোবাইলঃ +৮৮ ০১৮১৩ - ৮১৮৬৯৬
ফোনঃ +৮৮ ০২ - ৫৫০১৩৯৩৯
ইমেইলঃ shwapnerbd@gmail.com