shopner bd
শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
×

খুলনা নার্সিং ইনষ্টিটিউটের কাজের টাকা মেরে দেয়ার চেষ্টা

  স্বপ্নের বাংলাদেশ ডেস্ক    ০১ অক্টোবর ২০১৯, ২২:২৪

খুলনা নার্সিং ইনষ্টিটিউটের প্রশাসনিক ভবন ও একাডেমীক ভবনের আধুনিকায়নের কাজে নজিরবিহীন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে সাবেক অধ্যক্ষ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। দরপত্রের মাধ্যমে ২০১৯ সালে ফেব্রুয়ারী মাসে চট্টগ্রামের মেসার্স ইয়াকুব এন্ড ব্রাদার্স নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খুলনা নার্সিং ইনষ্টিটিউটের উন্নয়ের নামে দায়সারা কাজ করে হস্তান্তর করতে উঠেপড়ে লেগেছে। এতে বিব্রতিকর অবস্থায় পড়েছে ইনষ্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত অধ্যক্ষ। সূত্র জানায়, চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারীতে খুলনা নার্সিং ইনষ্টিটিউটের প্রশাসনিক ভবন আধুনিকায়ন, একাডেমীক ভবন, ছাত্রী হোস্টেল, টয়লেট, বিদ্যুতিক লাইনের মেরামত ইত্যাদির জন্য কাজ দেওয়া হয়। এ কাজের জন্য টেন্ডার দেওয়া হয় ৯৯ লাখ ৬৩ হাজার ৬৭৪ টাকা। কাজটি দেওয়া হয় চট্টগ্রামের মেসার্স ইয়াকুব এন্ড ব্রাদার্স নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ঠিকদারী প্রতিষ্ঠানটি কাজ শেষে হস্তান্তরের আগে সেসব স্থানে আবারও ফাটল দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে সাবেক অধ্যক্ষ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যোগষাযোগে টেন্ডার দেওয়া হয় ৯৯ লাখ ৬৩ হাজার ৬৭৪ টাকা নাম মাত্র কাজ করে টাকা ভাগবটোরা করছে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এজন্য ইতোমধ্যেই ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত অধ্যক্ষকে বিভিন্ন অনিয়মকে নিয়ম করতে চাপ প্রয়োগ করছে বলে জানান ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত অধ্যক্ষ শিখা রানী। এছাড়া রাতের অন্ধকারে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালামাল বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ রয়েছে কর্মচারীরা মান্নানের বিরোদ্ধে। জানা গেছে, মান্নান নাকি সাবেক অধ্যক্ষ আরিফা আক্তারের নির্দেশে পুরাতন জানালা, বাউন্ডারী ওয়ালের লোহার তৈরি গ্রিল, প্রতিষ্ঠানের ভিতরে বিভিন্ন গাছ বিক্রি করে দিয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের যে কোন মালামাল বিক্রয়ের প্রয়োজন হলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেও অনুমোদন নিয়ে বিক্রি করতে হয়। কিন্তু তাও নাকি মানে নাই সাবেক অধ্যক্ষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, সাবেক অধ্যক্ষ মান্নানকে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের মালামাল বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে জানি। এসব আমরা বলতে পারবো না। তবে, প্রতিষ্ঠানের মালামাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে। এর টাকার ভাগ অধ্যক্ষ পেয়েছে কিনা জানা নেই বলে জানান মান্নান। খুলনা নার্সিং ইনষ্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ (অতিরিক্ত) শিখা রানী জানান, আমি প্রতিষ্ঠানটির শুধুমাত্র ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে আছি। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি আমার নিকট এ কাজের ফাইল স্বাক্ষর করাতে এলে আমি নাকোজ করে দিয়েছি। তারা পুনরায় আবার ফাটলের বিভিন্ন স্থানে পুনরায় কাজ করছে। বিষয়টি আমি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। খুলনা সিভিল সার্জন আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিষয়টি আমার জানান নেই। বিষয়টি তদন্ত করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র

প্রধান সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবুল বশির
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মনির হোসেন
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫

মোবাইলঃ +৮৮ ০১৮১৩ - ৮১৮৬৯৬

ফোনঃ +৮৮ ০২ - ৫৫০১৩৯৩৯

ইমেইলঃ shwapnerbd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০২১ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।