স্বপ্নের বাংলাদেশ ডেস্ক ১১ আগস্ট ২০২১, ২০:০৫
২০০২ সালে মডেলিং দিয়ে শোবিজে পা রাখেন শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি। ২০০৪ সালে মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর ধারাবাহিক ‘৬৯’ নাটকের সুবাধে অভিনয়ে তার যাত্রা শুরু। এরপর দর্শকদের তিনি উপহার দিয়েছেন অসংখ্য নাটক। অভিনয় করেছেন ‘ডুবসাঁতার’, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’, ‘সে আমার মন কেড়েছে’ সিনেমাতেও। তবে বর্তমানে অভিনয় থেকে দূরে আছেন এই অভিনেত্রী। কন্যা ওয়ারিশাকে নিয়ে বসবাস করছেন কানাডায়।
এদিকে, মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তারপর নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’তে বিষয়টি পরিণত হয়েছে। চলছে আলোচনা-সমালোচনাও। পরীর কাণ্ডে অনেক মডেলের নাম এখন প্রশাসনের হাতে। একসময়ে মাদকে আসক্ত তিন্নির নাম এখনো জড়ানোর চেষ্টা করেছেন অনেকে। এতে বিরক্তি প্রকাশ করে, গুজবে তাকে না জড়ানোর অনুরোধ করেছেন তিন্নি।
এক ফেসবুকবার্তায় এই অভিনেত্রী লিখেছেন ‘২০১০ সাল থেকে একই কাসুন্দি। কী হইলো কেমনে হইলো- এসব চলতেছে, হায়রে মানসিকতা! সময়ের সঙ্গে মানুষের উন্নতি হয় আর আমাদের ওই একই ঘ্যানঘ্যানানি আর ভালো লাগে না।’
সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু বদলে যায়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও লিখেছেন, ‘তখনকার আমি আর এখনকার আমির মধ্যে পার্থক্য হলো আমি সুন্দর দুটি কন্যাসন্তানের মা। তখন ২১-২২ বছর বয়সী তিন্নি মডেল-অভিনেত্রী ছিল আর এখন ৩৭ বছর বয়সী নারী ও একজন মা। মিল শুধু, আমি আগের মতোই মনখোলা ও আশাবাদী মানুষ। এখনো প্রাণ ভরে হাসি, যেকোনো পছন্দের গানের সঙ্গে নেচে উঠবো, মানুষকে রেঁধে খাওয়াবো। কারো কষ্টের সময়ে পাশে দাঁড়াবো, কষ্ট পেয়েছি তাই কষ্টের মূল্য বুঝি।’
গুজবে নিজেকে না জড়ানোর অনুরোধ করে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আর অভিনয় করছি না। সুতরাং একজন মাকে এসব চুলকানি থেকে বাদ দেওয়া যায় না! আমরা সবাই তো কারো সন্তান, আমারো তো মা-বাবা আছে নাকি? আমাদের নিয়ে অন্য মানুষ খারাপ বললে, আমাদের সন্তান, মা-বাবাও কষ্ট পান। এটাই কী স্বাভাবিক নয়?’
তিন্নি আরও বলেন, ‘শুনেছিলাম, মানুষের হায় (অভিশাপ) লাগলে মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে যায়। আমার কথা বলছি না, আমাদের বাবা-মা, সন্তানদের কষ্টের হায় লাগার কথা বলছি, আমরা কী পারি না ভালোভাবে-ভদ্রভাবে সবকিছু উপস্থাপন করতে? দয়া করে নিজে বাঁচুন অন্যকেও বাঁচতে দিন! আসুন সবাই আবার মানুষের মতো কাজ করি।’
দোয়া চেয়ে তিন্ন বলেন, ‘জীবনে ভন্ডামি করি নাই, করলে হয়তো অনেক ভালো লাইফ হতে পারতো। যাই হোক, সবাই আমার ও আমার সন্তানদের জন্য দোয়া, আর্শীবাদ করবেন, যেন দিন শেষে সন্তানদের মানুষের মতো মানুষ করতে পারি। আমি কী ভুল বললাম?’
প্রধান সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবুল বশির
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মনির হোসেন
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫
মোবাইলঃ +৮৮ ০১৮১৩ - ৮১৮৬৯৬
ফোনঃ +৮৮ ০২ - ৫৫০১৩৯৩৯
ইমেইলঃ shwapnerbd@gmail.com