স্বপ্নের বাংলাদেশ ডেস্ক ০২ জুন ২০২১, ১২:০৪
ছয় বছরের অস্থিরতা কাটিয়ে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে দুবাইয়ের আবাসন খাত। লকডাউনের মধ্যেই বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা সেখানে সম্পদ কিনতে রীতিমতো প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছেন। তাদের হাত ধরেই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে হাঁটছে দুবাই। খবর এফএমটি।
এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি দামে বিকোচ্ছে বিলাসবহুল ভিলাগুলো। ইউরোপের ধনী ক্রেতারা দুবাইয়ে কৃত্রিম দ্বীপ পাম জুমেইরাহতে বিলাসবহুল বাড়ি কিনতে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠছেন। পাশাপাশি গলফ কোর্সের সম্পত্তির ওপর তাদের চোখ রয়েছেই।
দুবাইয়ের সম্পত্তির বাজারকে রোলারকোস্টার সফরের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। কখনো এটি অনেক উপরে উঠে যায়, আবার কখনো হুট করেই পড়ে যায়। ২০১৪ সালের পর বাজার বেশ পড়তির দিকে ছিল। তবে ২০২০ সালে কভিড-১৯ মহামারীর আঘাতের পর এটি সমান্তরাল রেখায় চলে আসে।
কনসালট্যান্সি প্রপার্টি মনিটরের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ঝ্যান জোচিনকে বলেন, লকডাউন পিরিয়ডের ঠিক পরই আমরা দেখলাম সেখানে লেনদেনের পরিমাণ হঠাৎ করেই বেড়ে গেল। সেই যে বাড়ল, এরপর আর থামছেই না। আমরা এখন প্রতি মাসেই লাভ ও লেনদেনের পরিমাণের রেকর্ড দেখতে পাচ্ছি।
করোনা মহামারী চলাকালে গত জুলাইয়ে উপসাগরীয় এ দেশই সবার প্রথমে দর্শনার্থীদের জন্য সীমান্ত খুলে দেয়। তবে মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব মানার ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হয়েছে সবাইকে। সেইসঙ্গে শুরু হয়েছে শক্তিশালী টিকাদান কর্মসূচি। তবে নতুন বছরের শুরুতেই দেশটিতে বেড়ে যায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। তার পরও সেখানে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো খোলা ছিল, কিছু বিধিনিষেধ ছাড়া সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিল দুবাইয়ের মানুষ।
এ সময়কালে অন্য দেশ থেকে প্রচুর চতুর বা বুদ্ধিমান ধনী দুবাইয়ে এসে বসত গেড়েছেন। এদের লকডাউন ডজারস বলে উল্লেখ করেন ঝ্যান জোচিন। সম্পূর্ণ বিদেশী মালিকানার প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা করতে সুযোগ দেয়া ও আবাসনের নিয়মে শিথিলতা এসব মানুষকে দুবাই আসতে উৎসাহিত করেছে।
প্রধান সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবুল বশির
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মনির হোসেন
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫
মোবাইলঃ +৮৮ ০১৮১৩ - ৮১৮৬৯৬
ফোনঃ +৮৮ ০২ - ৫৫০১৩৯৩৯
ইমেইলঃ shwapnerbd@gmail.com