
যুদ্ধের নাম আতঙ্ক,
নেই ঝগড়া, বিবাদ, হিংসা, শত্রুতা
অদৃশ্য এক দানবের ভয়ে চালু হয়েছে কার্ফু
যায় না দেখা,যায় না ছোয়া তবু বাতাসে আত্নকের গন্ধ,
অদৃশ্য সেই দানবের ভয়ে কাছে বিশ্ববাসী,
ভয়ানক ছোয়াচে অদৃষ্ট শক্তি ভেসে বেড়ায় অদেখা আমাদের মাঝে,
ইহার উপসর্গ সবার অজানা, ইহা কি তবে আমাদেরই তৈরী!
সারা বিশ্ব কাপছে ভয়ে, ঢাল হিসেবে মানুষ পড়েছে মুখোশ
সমাধান খুজতে গিয়ে এই দানব রুপ ধারন করছে অন্য রুপে।
এক কিম্ভূত মনস্তাত্ত্বিক বিশ্বযুদ্ধ চলছে।
আধুনিক যুদ্ধের রুপের ধরন কি তবে এমন?
নেই বারুদের গন্ধ, শুধু একটি ছোয়াই যথেষ্ট সৈনিক প্রস্তুত করতে,
হার জিতে নেই তার সমাধান।
পৃথিবী তার বৈচিত্রতা হারিয়ে থমকে দাড়িয়েছে,
মনপোকা খেয়ে ফেলেছে- মানুষ আজ স্তদ্ধ।
জীবন আর ভয়ের মতো, অন্ধকারময়।
সবার মুখে একই চিন্তার ছাপ, রেহাই কি তবে আছে!
ধর্ম-বর্ন ভেদে বিভিন্ন জন্য দায় দিচ্ছে অতীতের পাপের ফল।
অনেক দিন পর রমরমা টপিক পেয়ে লেখা হচ্ছে কবিতা,গান, আ্যড, নাটক, সিনেমা।
বিচ্ছিন্ন আজ যোগাযোগ সব দেশ হতে সব দেশে,
অতি জরুরী প্রয়োজন গুলো আজ নিষ্প্রয়োজনে পরিনত।
শিক্ষার দোকান,পাপীর মুক্তি/নিস্পাপ এর সাজার কারখানা,আধুনিক দাসত্বের অফিস আর পশ্চিমা মুল্লুকে দূষণীয় বাজারগুলো সব নোটিশ দিয়ে করা হয়েছে বন্ধ।
সবার উপদেশ এখন একটাই,
চার দেয়ালের ভিতরে থাকো, বের হয়ো না।
পৃথিবী থেমে গেছে, যেন ক্লান্ত পৃথিবী নিচ্ছে বিশ্রাম।
এই বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল এক একটি লাশ।
এই ঠান্ডা মাথার যুদ্ধ সিংহাসনের জন্যে নয়,
জয়ী নিজেই ঠিক করে নিয়েছে তার উপহারটি।
এ যেন হলিউডের রেসিডেন্ট ইভিল সিনেমার ভয়ানক প্রতিফলন।
১৪ দিনের সময় বেধে দিয়েছে এই যুদ্ধের, ১৪ দিন পরেই বুজা যায় সে অস্ত্র হতে পেরেছে কি না!
অস্ত্র হবার আগেই সেই ছুয়ে দিয়ে নিরস্ত্রর হাতে দিচ্ছে অদৃশ্য অস্ত্র।
সবাইকে করেছে আলাদা, হাতে হাত রাখা নিষেধ
দুরুত্ব আগেও ছিল আর এখন দুরত্বই একমাত্র বাচার সম্বল।আতিথেয়তা এখন দরজার বাহিরে,একে অপরকে ছোয়া মানা
ছুয়ে ফেললেই জীবানু নাসক ব্যবহার করা।
কি এক আজব খেলা মিল বন্ধন,এখন দুরুত্বের।
একলা মানুষ যুদ্ধ করছে আজ বেচে থাকার লড়াইয়ে,
নেই শিকল, নেই কারাগার তবুও আজ বন্ধি সবাই
এক জন আরেক জনকে মনে করেছে ভাইরাস।