সৌদি থেকে ফিরতে বাধ্য হলেন আরও ১৪৫ বাংলাদেশি

সৌদি আরবে ধরপাকড়ের শিকার আরও ১৪৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন। শনিবার দিনগত রাত ১২ টা ১৫ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্স (এসভি-৮০২) বিমানযোগে তারা দেশে ফেরেন। এ নিয়ে গত দেড়মাসে ৫ হাজার ৫৯৪ বাংলাদেশি ফিরলেন।
সৌদি থেকে শূন্য হাতে দেশে ফেরা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, মাত্র তিন মাস আগে তিন লাখ টাকা খরচ করে ড্রাইভিং কাজে গিয়েছিলেন সৌদি আরবে। কিন্তু কোনও কারণ ছাড়াই তাকেও দেশে ফিরতে হয়েছে শূন্য হাতে।
দেশটিতে যাওয়ার ৯ মাসের মধ্যে দেশে ফিরে এসেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আলামিন, নোয়াখালীর শাহজাহান, চাঁদপুরের আমিনুল, নারায়ণগঞ্জের হোসেন আলী, মৌলভীবাজারের পারভেজ মিয়া, সাতক্ষিরার ওবায়দুল্লাহসহ আরও অনেকে।
প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারিতে তিন হাজার ৬৩৫ জন এবং চলতি ফেব্রুয়ারিতে এক হাজার ৯৫৯ জন সৌদি আরব থেকে ফিরে এসেছেন। এদের মধ্যে অন্তত ৩০০ জন নারী রয়েছেন।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান জানান, গত দেড়মাসে সৌদি আরব থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার প্রবাসী ফিরেছেন যাদের অনেককেই যাওয়ার তিন মাস থেকে এক বছরের মধ্যে ফিরতে হয়েছে। কিন্তু নিয়োগকর্তা তাদের আকামাই করেনি। পুলিশ ধরার পর তারা নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের দায়িত্ব নেয়নি। প্রশ্ন হলো কারা তাহলে সৌদি আরব পাঠাল। এই ধরনের প্রতারণা বন্ধ হওয়া উচিত বলেও মনে করে শরিফুল হাসান। এর পাশাপাশি এভাবে যেন কাউকে শূন্য হাতে ফিরতে না হয় এবং প্রত্যেকে গিয়ে যেন কাজ পায় এবং কাজের মেয়াদ শেষে খরচের টাকাটা অন্তত তুলতে পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। রিক্রুটিং এজেন্সি, দূতাবাস ও সরকার সবাই মিলে এই কাজটি করতে হবে।