কাতারের মজুরি সুরক্ষা কর্মসূচি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পিছিয়ে

গ্যাসসমৃদ্ধ আমিরাতে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ নিশ্চিতে কাতারের প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় ‘পিছিয়ে’ রয়েছে। শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। খবর এএফপি।
কাতারের ২৭ লাখ ৫০ হাজার জনসংখ্যার সিংহভাগই (৯০ শতাংশই প্রবাসী) দরিদ্র উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে এসেছে। যারা ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপসংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোতে কাজ করছে।
কিন্তু অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাতারের শ্রম অধিকার চর্চা নিয়ে সমালোচনার পর বেতন পরিশোধ না করা শনাক্তে ২০১৫ সালে একটি ওয়েজ প্রটেকশন স্কিম (ডব্লিউপিএস) প্রতিষ্ঠা করে কাতার সরকার।
এদিকে শনিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এইচআরডব্লিউ জানায়, কাতারের এক অজ্ঞাতনামা নিয়োগ প্রতিষ্ঠানের পাঁচ মাস ধরে ব্যবস্থাপকদের ও দুই মাস ধরে শ্রমিকদের বেতন বকেয়া রাখতে দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা মূলত কাতারের শ্রম মন্ত্রণালয়ের বেতন বকেয়া তত্ত্বাবধানের ক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত সমস্যাগুলোকেই তুলে ধরছে। মানবাধিকার সংস্থাটি জানায়, প্রতিষ্ঠানটির প্রকল্পগুলোর মধ্যে দোহায় বিশ্বকাপের জন্য একটি স্টেডিয়াম ও সড়ক নির্মাণ রয়েছে, যেখানে প্রায় ছয় হাজার কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু সময়মতো বেতন পরিশোধ না করায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকরা একাধিক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে, যার পর বেশকিছু শ্রমিকের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়।
উল্লেখ্য, কাতারে অননুমোদিত জনবিক্ষোভ ও ট্রেড ইউনিয়নে অংশগ্রহণ অবৈধ হিসেবে গণ্য।
মানবাধিকার সংস্থাটি জানায়, আমরা দেশটিতে একটি পদ্ধতিগত ব্যর্থতা দেখতে পেয়েছি, কাতারের সব নিয়োগ প্রতিষ্ঠানের ওপর যার প্রভাব রয়েছে।