সিঙ্গাপুরে করোনা আক্রান্ত ৫ বাংলাদেশির অবস্থা স্থিতিশীল

করোনাভাইরাস নিয়ে যেকোনো পরিস্থিতিরি জন্য প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারের জাতীয় রোগতত্ত¡, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। শনিবার কোভিড-১৯ নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমগীর।
সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, সিঙ্গাপুরে পাঁচ বাংলাদেশি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক। তিনি আইসিইউতে ছিলেন। তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং দুজন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। তিনি আরও বলেন, আনন্দের বিষয় হচ্ছে, সিঙ্গাপুরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ১ বাংলাদেশি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এর আগের আরও একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। কোভিড-১৯ এ সিঙ্গাপুরে পাঁচজন আর সংযুক্ত আরব আমিরাতে একজন বাংলাদেশি আক্রান্ত হয়েছেন। আরব আমিরাতে আক্রান্ত হওয়া বাংলাদেশি ব্যক্তির শারীরিক অবস্থাও স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানান তিনি।
গত ২৪ ঘণ্টায় দুইজনসহ দেশে মোট ৮৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে জানিয়ে আইইডিসিআর পরিচালক জানান, তাদের শরীরে করোনাভাইরাসের জীবাণু পাওয়া যায়নি। দেশের বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর এবং সব স্থলবন্দরে এখন পর্যন্ত মোট ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৯৫৮ জনকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। তবে যেকোনো পরিস্থিতিরি জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি, স্ক্রিনিং কার্যক্রমটা একইভাবে চালিয়ে যাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, চীনসহ বর্তমানে ৫২টি দেশ ও অঞ্চলে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। তালিকাতে নতুন যোগ হয়েছে বেলারুশ, লিথুনিয়া, নেদারল্যান্ডস, নিউজল্যান্ড ও নাইরেজিয়া। জরুরি প্রয়োজন না থাকলে আক্রান্ত হওয়া ৫২টি দেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেন তিনি। একই সঙ্গে চীনের বাইরে অন্যান্য দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়াতে আরও বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ইরান, ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়াকে বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে।