shopner bd
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩২
×

‘রেমিটেন্সে ইউরোপ- আমেরিকার চেয়ে মধ্যপ্রাচ্য এগিয়ে’

  স্বপ্নের বাংলাদেশ ডেস্ক    ০৩ মার্চ ২০২০, ১৭:১৫

মধ্যপ্রাচ্যে যেসব বাংলাদেশি আছেন, রেমিটেন্সে তাদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। ইউরোপ- আমেরিকায় বসবাসরত প্রবাসীদের ভূমিকা এক্ষেত্রে কম। এর পেছনে একটা ব্যাখ্যা আছে। যারা মধ্যপ্রাচ্যে আছেন তাদের একটা তাগাদা থাকে। ভিসার মেয়াদ শেষ হলে দেশে ফিরতে হবে। যেহেতু দেশে ফিরতে হবে তাই দেশে তারা একটা প্রস্তুতি রাখেন। জায়গা কেনা, বাড়ি করা বা প্রতিমাসে স্ত্রী পুত্রের জন্য ভরণ-পোষণ পাঠানো। কিন্তু যারা ইউরোপে বসবাস করেন তারা সেখানে একটা নিশ্চয়তা পায়। চাকরি করতে করতে ভিসার মেয়াদ বাড়ায়, নাগরিকত্ব পায়। বা সেখানে বিয়ে করে। সন্তানরা স্কুলে যায়। ওখানকার ব্যস্ত, প্রতিযোগিতাময় ও নিরাপদ জীবনে অভ্যস্ত হয়ে উঠে। ফলে রেমিটেন্সে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের ভূমিকা বেশি। এমনটাই মনে করেন জার্মানে প্রভাবশালী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও জার্মান আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ‘স্বপ্নের বাংলাদেশ’র বিশেষ প্রতিনিধি আলী আদনানস্বপ্নের বাংলাদেশ: জার্মানে আপনার ব্যবসার অভিজ্ঞতা ও রাজনীতির অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিনের। আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, সেখানে প্রবাসী বাঙালিরা কেমন আছেন এমন প্রশ্নের জবাবে কী বলবেন? মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল: ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় জার্মানিতে বাংলাদেশিরা ভালো আছেন। সেখানে সামাজিক নিরাপত্তা আছে। তাদের জীবন মানে একটা নিশ্চয়তা আছে। মানুষের যে পাঁচটি মৌলিক অধিকার সেটার নিশ্চয়তা আছে এবং সেক্ষেত্রে তেমন কোনো বৈষম্য নেই। সেখানে যারা দীর্ঘদিন বসবাস করছেন তাদের সাধ ও সাধ্যের মধ্যে পার্থক্য নেই। সেখানে বসবাসরত একজন বাংলাদেশি হয়তো মার্সিডিজ চালাতে পারবে না বা পারছে না কিন্তু চার চাকার একটা প্রাইভেটকার রাখার সামর্থ্য তাদের কম বেশি সবার আছে। স্বপ্নের বাংলাদেশ: আনুমানিক কী পরিমাণ বাংলাদেশি বর্তমানে জার্মানিতে আছেন? তারা কর্মক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন? মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল: বর্তমানে জার্মানিতে প্রায় ১২ হাজার বাংলাদেশি আছেন। কর্মক্ষেত্রে ভাষা তাদের প্রধান সমস্যা। কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে সাধারণত ইংরেজি জানা থাকলে সুবিধা করা যায়। কিন্তু জার্মানিতে বিষয়টি একেবারেই উল্টো। দ্বিতীয়ত, জার্মানিতে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে একটা বড় সমস্যা হলো তাদের কোম্পানিগুলো নিশ্চয়তা চায়। যখন তারা দেখে কেউ দুই বছরের জন্য ভিসা পেয়েছে তখন তাদের চাকরি দিতে জার্মান কোম্পানিগুলো কার্পণ্য করে না। কিন্তু ভিসা না থাকলে দ্বিধাবোধ করে। কারণ, দেখা গেল কাউকে চাকরি দিল, সে কোম্পানিতে কাজ শেখা শুরু করল। কোম্পানির ভালো মন্দ জানল। এর পরপরই ভিসা জটিলতায় তাকে দেশে ফিরতে হলো। তখন কিন্তু ঘুরে ফিরে কোম্পানির ক্ষতি। তাই তারা তাকেই নিতে আগ্রহী হয়, যার সেখানে থাকার নিশ্চয়তা আছে। আর এই দুই বছরের ভিসা পাওয়ার জন্য অনেক সংগ্রাম করতে হয়। এখন অবশ্য তেমন কষ্ট করতে হয় না। মোটামুটি তাড়াতাড়ি হয়ে যায়। স্বপ্নের বাংলাদেশ: এখন জার্মানিতে ভিসা ছাড়া আছেন এমন বাংলাদেশির সংখ্যা কত? ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে কী কী জটিলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে? মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল: বর্তমানে জার্মানিতে ভিসা ছাড়া তেমন কেউ নেই। দু’একজন থাকলেও থাকতে পারে। সেটা চোখে পড়ার মতো না। ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে সেখানে এগিয়ে আছে স্টুডেন্টরা। তারা নির্দিষ্ট শর্তগুলো মেনে চললেই ভিসা পেয়ে যায়। পড়াশুনা শেষ করে কোনও চাকরি ম্যানেজ করতে পারলেই দুই বছরের ভিসা পেয়ে যায়। তবে ২০০৫ এর আগে এই সুবিধা ছিল না। ছিল না এজন্যই, জার্মান সরকারের যুক্তি ছিল, তোমরা ছাত্র হিসেবে আমাদের দেশে এসেছ। পড়াশুনা করে নিজেকে তৈরি করে নিজ দেশে গিয়ে দেশের কাজে লাগো। অর্থাৎ এটা পরোক্ষভাবে আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সাহায্য করা। কিন্তু তারা একটা পর্যায়ে খেয়াল করলো বাংলাদেশি ছেলেরা সেখানে পড়াশুনা শেষ করে নিজ দেশে তো ফেরেই না, বরং কেউ তারা ইউরোপ- আমেরিকার অন্যান্য বড় বড় দেশে চলে যাচ্ছে। অন্যদিকে জার্মানির বড় বড় কোম্পানিগুলোতে দক্ষ জনশক্তির অভাব। তখন জার্মান সরকার আইন করে এ সুবিধাটা দিল, কেউ যদি পড়াশুনা শেষ করে  জার্মানে চাকরি ম্যানেজ করতে পারে তাহলে তাকে রাখা হবে। স্বপ্নের বাংলাদেশ: জার্মানিতে বাঙালিরা সাধারণত কী ধরনের কাজ করে? বাংলাদেশি টাকায় তাদের গড় আয় কেমন? মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল: শতকরা পঞ্চাশভাগ লোক শ্রমিক। কেউ কেউ সেই অবস্থা উত্তোরণ করে এসে ব্যবসা বাণিজ্য করছেন। অনেকে খুব ভাল জায়গায় কাজ করছেন। বাংলাদেশি টাকায় এখানে বসবাসরত বাংলাদেশিদের গড় আয় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। স্বপ্নের বাংলাদেশ: জার্মানে বসবাসরত বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিটেন্স আমাদের অর্থনীতিতে কতটা ভূমিকা রাখছে? মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল: আমি মনে করি, মধ্যপ্রাচ্যে যেসব বাংলাদেশি আছেন, রেমিটেন্সে তাদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। ইউরোপ- আমেরিকায় বসবাসরত প্রবাসীদের ভূমিকা এক্ষেত্রে কম। এর পেছনে একটা ব্যাখ্যা আছে। যারা মধ্যপ্রাচ্যে আছেন তাদের একটা তাগাদা থাকে। ভিসার মেয়াদ শেষ হলে দেশে ফিরতে হবে। যেহেতু দেশে ফিরতে হবে তাই দেশে তারা একটা প্রস্তুতি রাখেন। জায়গা কে না, বাড়ি করা। বা প্রতিমাসে স্ত্রী পুত্রের জন্য ভরণ-পোষণ পাঠানো। কিন্তু যারা ইউরোপে বসবাস করেন তারা সেখানে একটা নিশ্চয়তা পায়। চাকরি করতে করতে ভিসার মেয়াদ বাড়ায়, নাগরিকত্ব পায়। বা সেখানে বিয়ে করে। সন্তানরা স্কুলে যায়। ওখানকার ব্যস্ত, প্রতিযোগিতাময় ও নিরাপদ জীবনে অভ্যস্ত হয়ে যায়। তখন সে বাড়ির করার কথা চিন্তা করলে ইউরোপে যেখানে বসবাস করছে সে জায়গাটাকেই প্রাধান্য দেয়। যেহেতু দেশে ফেরার তাগিদ তার থাকে না সেহেতু দেশে সে টাকা পাঠাতে তেমন একটা উৎসাহী হয় না। আমি সবার কথা বলছি না, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমার এটা মনে হয়। স্বপ্নের বাংলাদেশ: জার্মানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যাপারে জার্মান সরকারের মনোভাব কেমন? মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল: জার্মানের নিজস্ব একটা সমস্যা আছে। তা হলো তাদের জনসংখ্যা ঘাটতি। ২০০০ সালে জার্মান সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে লোক এনে সেই ঘাটতি পূরণ করবে। কিন্তু তাদের সেই উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। না হওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ হলো ভাষাগত সমস্যা। এ কারণে কেউ তেমন উৎসাহ দেখায়নি। সেজন্য বর্তমানে জার্মান সরকার বিভিন্ন দেশে জার্মান ভাষা শেখার সুযোগ করে দিয়েছে। আমাদের বাংলাদেশেও অনেকগুলো স্কুল জার্মান ভাষা শেখাচ্ছে। অনেকগুলো ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র বা ইনস্টিটিউটে জার্মান ভাষা শেখানো হচ্ছে। জার্মান দূতাবাস এই ব্যাপারে সহায়তা দিচ্ছে। সত্যি কথা হচ্ছে, জার্মানিরা কারো প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন হয় না আবার শত্রুভাবাপন্নও হয় না। ওরা কাজ পাগল জাতি। কাজ বুঝে। আমাকে দিয়ে ওদের কী কাজ হবে সেটাই বুঝে। গিভস এন্ড টেকস নীতিতে সেই কাজ ওরা বুঝে নেয়। এখানে আবেগের কোনো মূল্য নেই। স্বপ্নের বাংলাদেশ: জার্মান- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক কেমন? মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল: জার্মান- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভালো। গত দশ বছরে এই সম্পর্কের যথেষ্ট উন্নয়ন হয়েছে। একসময় কিন্তু জার্মান টেকনোলজি বাংলাদেশে আসত না। জার্মান টেকনোলজি আইনে সে সুযোগ ছিল না। এখন কিন্তু জার্মানসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশগুলো চাচ্ছে তাদের টেকনোলজি আমাদের দেশে আসুক। তারা আমাদের উৎপাদিত পণ্য কিনতে রাজি। কিন্ত শর্ত হচ্ছে তাদের প্রযুক্তি আমাদের ব্যবহার করতে হবে। আমাদের গার্মেন্টসের উৎপাদিত শার্ট- প্যান্ট তারা কিনবে যদি আমরা গার্মেন্টসে ব্যবহৃত মেশিন তাদের কাছ থেকে কিনি। শুধু জার্মান কেন, পুরো ইউরোপেই এখন বাংলাদেশি পণ্যের বাজার বাড়ছে। এক্ষেত্রে এক নম্বরে আছে গার্মেন্টস পণ্য। বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরিতে এখন আমাদের ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য যাচ্ছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মৎস্য রফতানি হচ্ছে, সবজি রফতানি হচ্ছে। স্বপ্নের বাংলাদেশ:  জার্মানের কোন কোন প্রযুক্তির সম্ভাবনা ভাল, যা আমরা কাজে লাগাতে পারি? মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল: ইউরোপের বিভিন্ন দেশের তুলনায় পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট- এ অনেক এগিয়ে আছে। যেমন- ছোট একটা উদাহরণ দিই। আজকের পৃথিবীতে যেভাবে পানি ব্যবহৃত হচ্ছে, এর ফলে পানির স্তর খুব দ্রুত নিচে নেমে যাবে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, কোনও এক সময় পৃথিবীতে পানির সংকট দেখা দেবে। জার্মানরা এ বিষয়ে ভালো কাজ করছে। আমরা প্রতিবার কমোড ফ্ল্যাশ করলে পনের - বিশ লিটার পানি খরচ হয়। জার্মানের বিজ্ঞানীরা সেই পানি পুনরায় প্রক্রিয়াজাত করে বিশুদ্ধ করছে। এর ফলে বর্জ্যগুলো অপসারিত হয়ে চলে যাচ্ছে এবং পানিটা আবার বিশুদ্ধ পানি হিসেবে খাওয়া- পরায় ব্যবহার হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা গ্যারান্টি দিচ্ছেন, আগের তুলনায় এই পানি আরও বেশি বিশুদ্ধ। পুরো ইউরোপে এই প্রযুক্তি কাজে লাগানো হচ্ছে। আমাদের এখানেও এটা কাজে লাগানো উচিত। আমরা মোচড় দিয়ে পানির ট্যাপ খুলি। সেখানে সব সংক্রিয়ভাবে খোলা বন্ধ হয়। ট্যাপ খোলার পর কিছু পানি ছিটকে পড়ে। সেই ছিটকে পড়া পানি জারে সংরক্ষণের ব্যবস্থা আছে। এরকম ছোট অনেক প্রযুক্তি আমরা কাজে লাগাতে পারি যেগুলো আমাদেরকে অনেক বড় ভবিষ্যত সংকট থেকে বাঁচাবে। স্বপ্নের বাংলাদেশ: জার্মানির প্রযুক্তি আমরা কিভাবে কাজে লাগাতে পারি? মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল: জার্মানরা খুব শৃংখলাবদ্ধ, দেশপ্রেমিক ও পরিশ্রমী জাতি। একটা প্রস্তাব আমি সবসময় করি। ওদের প্রযুক্তি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমগুলো আমরা টিম পাঠিয়ে শিখিয়ে এনে এখানে প্রচার করতে পারি বা বাস্তবায়ন করতে পারি। এতক্ষণ প্রযুক্তি সংক্রান্ত যা বললাম, তা ওদের বিশেষজ্ঞ টিম এনে আমাদের লোকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এখানে বাস্তবায়ন সম্ভব। স্বপ্নের বাংলাদেশ: বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার নিয়ে জার্মান রাজনীতিবিদ বা ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদের মনোভাব কেমন? মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল: বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় নাকি বিএনপি ক্ষমতায় তা নিয়ে জার্মানের বা ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের কিছু যায় আসে না। ওরা দেখে কাজ, উন্নয়ন। সবচেয়ে বেশি দেখে মানবাধিকার। এসব বিবেচনায় বর্তমানে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি খু্ব উজ্জ্বল। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার পর বিদেশের গণমাধ্যম শেখ হাসিনাকে মাদার অব হিউম্যানিটি উপাধি দিয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এটা বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় ব্যাপার। পক্ষান্তরে ২০০১ সাল থেকে দেশে খুন, সন্ত্রাসের উৎসব ছিল। সংখ্যালঘুরা অনিরাপদ ছিল। ধর্ষণের মতো ঘটনা স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল। মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের চরম প্রসার ঘটেছিল। একের পর এক বিরোধী রাজনীতিবিদদের খুন করা হয়েছিল। এসব বিবেচনায় শেখ হাসিনা বিশ্ববাসীর কাছে আদর্শ রাষ্ট্রনায়ক। চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তিনি পৃথিবীর কাছে একটি মডেল। স্বপ্নের বাংলাদেশ: আপনি জার্মান আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। সুদূর জার্মানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের শাখার উপযোগিতা কী? মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল: আমরা যারা বিদেশের মাটিতে থাকি আমরা প্রত্যেকেই আলাদা আলাদাভাবে আমাদের দেশটার প্রতিনিধিত্ব করি। আমাদের আসল পরিচয় বাঙালি জাতিসত্ত্বা। রাজনৈতিকভাবে বিদেশের মাটিতে আমার দেশের, আমার সরকারের ম্যাসেজ পৌঁছায় আমাদের কাজের মাধ্যমে। আমরা যারা রাজনীতি করি, সেই জায়গা থেকে আমার দলের আদর্শ উদ্দেশ্য বা কাজ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। জার্মান আওয়ামী লীগ সেই কাজটাই করছে। এই যে কাদের মোল্লার ফাঁসি হলো, সেখানে বুঝানো হয়েছিল, কাদের মোল্লা একজন ভাল মানুষ। ধর্ম কর্ম মানে। জীবনে তাকে দিয়ে কখনো মানুষের কোন ক্ষতি হয়নি। জার্মান আওয়ামী লীগ এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। কাগজ- পত্র, বিভিন্ন ডকুমেন্টসহ আমরা ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদের বুঝিয়েছি কাদের মোল্লার অতীত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে। বিএনপির জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন সম্পর্কে আমরা ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের বিভিন্ন প্রতিনিধি ও তাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের সামনে সঠিক চিত্র তুলে ধরেছি। অর্থাৎ আমরা আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে বিশ্বে জনমত সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছি। স্বপ্নের বাংলাদেশ: আপনাকে ধন্যবাদ আমাদেরকে সময় দেওয়ার জন্য। মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল: স্বপ্নের বাংলাদেশ- পত্রিকার জন্য শুভকামনা। বিদেশের মাটিতে প্রবাসীদের সুখ দু:খের কণ্ঠস্বর হবে স্বপ্নের বাংলাদেশ এটাই প্রত্যাশা।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র

প্রধান সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবুল বশির
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মনির হোসেন
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫

মোবাইলঃ +৮৮ ০১৮১৩ - ৮১৮৬৯৬

ফোনঃ +৮৮ ০২ - ৫৫০১৩৯৩৯

ইমেইলঃ shwapnerbd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০২১ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।