করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিস্তার রোধে সীমিত ও ঘরোয়া পরিসরে ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে কনস্যুলেটের কনফারেন্স কক্ষে যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২০”পালন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষ্যে কনস্যুলেটের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে এক বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার শুরেতেই পবিত্র কোরআন তেলওয়াত ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং একাত্তরে নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্বার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এরপর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।
দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে কনসাল জেনারেল ফয়সল আহমেদ বক্তব্য পেশ করেন। তিনি বলেন, ২৬শে মার্চ আমাদের জাতির আত্মপরিচয় অর্জনের দিন। পরাধীনতার শিকল ভাঙ্গার দিন। স্বাধীনতা দিবসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের মহানায়ক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যার অধিসংবাদিত নেতৃত্বে আমরা অর্জন করেছি প্রিয় স্বাধীনতা। আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি ত্রিশ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ সন্তানহারা মা-বোনকে, যাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে কাঙ্ক্ষিত বিজয়। শ্রদ্ধা জানাই জাতীয় চার নেতাকে, যারা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সম্মান জানাই যুদ্ধাহত মুক্তিযুদ্ধাসহ সকল মুক্তিযুদ্ধাদের। সেইসাথে তিনি তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার আহবান জানান।
কনসাল জেনারেল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে অর্জিত অর্থনৈতিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে রুপকল্প-২০২১ এবং রুপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে প্রবাসী বাংলাদেশীদের যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার আহবান জানান। সবশেষে, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের উপর ভিডিও ডকুমেন্টারি কনস্যুলেটের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
