করোনা ভাইরাস মহামারিতে অসহায় কর্মহীন গৃহবন্দীদের পার্শে দাঁড়ালেন দুবাই এর তিন ব্যবসায়ীনেতা বেশকিছু দিন ধরে দুবাইতে বাংলাদেশ বিজনেস এসোসিয়েশনের সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জুলফিকার ওসমান,সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইয়াকুব সৈনিক ও সিনিয়ার সহ সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহা ম্মদ হারুন-অর-রশিদ,বিভিন্ন ভাবে কর্মহীন,অর্থহীন ও গৃহবন্দী প্রবাসীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করার পর।
গত ২৭/২৮/২৯ এপ্রিল পবিত্র রমজানে পঞ্চাশ হাজার দেরহাম বাংলাদেশী প্রায় বারোলক্ষ টাকার নগদ অর্থ সহযোগীতা প্রদান করে আমিরাতে বাংলাদেশি কমিউটির মাঝে প্রথম সারিতে আছেন।শুধু তাই নয় এই এলাকার প্রবাসীদের মাঝে এটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
তাদের এই সহযোগিতা ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য এক বডো রকমের সহযোগিতা বলে মনে করেন ভুক্তভুগীরা।সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জনাব আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইয়াকুব সৈনিক বলেন : আসলে আমরা সকলেই এখন একটি কঠিন সময় অতিবাহিত করছি। প্রবাসে আমদের যাদের সামর্থ আছে তারা যদি প্রবাসীদের বিপদে এগিয়ে না আসি তাহলে নিজেকে অপরাধী মনে হবে।আর তারাও বা কোথায় যাবে।
ইসলাম আমাদের শিক্ষাদেয় মানুষের বিপদে বা কল্যানে এগিয়ে যেতে তাই যতটুকু সম্ভব আমাদের অবস্থান থেকে আমিরাতে করোনা ভাইরাস মহামারিতে যারা কর্মহীন হয়ে পড়েছে তাদের পাশে দাঁড়াবার চেষ্টা করেছি।এই ছাড়াও দুবাই নিয়েজিত বাংলাদেশের মান্যবার কন্স্যাল জেনা রেল মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন খান,মাননীয় কমার্শিয়াল কাউন্সিলার কামরুল হাসান,মাননীয়া লেবার কাউন্সি লার ফাতেমা জাহান ও মাননীয় প্রথম সচিব (শ্রম) ফকির মনোয়ার ইসলাম এর বিশেষ অনুরোধে এই নগদ অর্থ প্রদানে উৎসাহিত হই।
আমরা ব্যক্তিগত খাদ্য সামগ্রী বিতরণের পর আমাদের প্রাণপ্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ বিজনেস এসোসিয়েশন দুবাই আল আবির এর পক্ষ থেকে করোনা মহামারীতে কর্মহীন হয়ে অর্থ সংকটে থাকা দিন মজুরদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করি।আমরা এইসব নগদ অর্থ গুলি আমরা দুবাই,শারজাহ ও আজমান অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় প্রদান করি
যেমন : শারজাহ এর বিএম ডাব্লিউ, আবুসাগারা,দুবাই এর আল নাখিল,আল মাতিনা,আলখুঁজ, সোনাপুর ও ইন্টারনেশন্যাল সিটি সহ আজমিনের বেশ কিছু স্থানে।আমি মনেকরি বর্তমানে এই মুহূর্তে যাদের সামর্থ আছে এই সময়ে তারা আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসী ভাইদের পাশে এগিয়ে আসা উচিত।
