যুক্তরাষ্ট্রের পরে বাংলাদেশ পুলিশ কে ৪০০০ এন ৯৫ মাস্ক উপহার দিলেন ডা: ফেরদৌস খন্দকার

শুধু নিউইয়র্ক কিম্বা যুক্তরাষ্ট্রে নয় বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের প্রবাসী মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন যে মানুষটি শুধু শারীরীক ভাবেই নয় অন লাইন এর মাধ্যমেও করোনার বিভিন্ন বিষয়ে সেবা প্রদান করে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এই ডা: ফেরদৌস খন্দকার। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি করোনা যুদ্ধে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ বাংলাদেশ পুলিশের জন্য আমেরিকান স্ট্যান্ডার্ড এ নির্মিত ৪০০০ এন ৯৫ মাস্ক পাঠিয়েছেন।
সোমবার (১৮ মে) পুলিশ হেডকোয়ার্টারে এসব মাস্ক আই জি পি ড. বেনজির আহমদের কাছে হস্তান্তর করেন আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাদা মহিউদ্দিন।
এ প্রসঙ্গে ড. ফেরদৌস তার ফেসবুক ওয়ালে কয়েকটা ছবি শেয়ার লিখেছেন, সামগ্রীগুলোর সাথে আবেগ প্রচণ্ডভাবে জড়িত। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পরিকল্পণা করলাম বাংলাদেশের সম্মুখযোদ্ধাদের পাশে দাঁড়াবো। বিশ্বমানের কোয়ালিটি, মানসম্পন্ন এন ৯৫ মাস্ক যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে সংগ্রহ করলাম।কোনভাবেই দেশে পাঠাতে পারছিলাম না। কোন উড়োজাহাজ যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন থেকে একটি বিশেষ বিমান বাংলাদেশে যাবে জানতে পারলাম। সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত চেষ্টা করলাম। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বাধা, কার্গো হিসেবে পাঠানো যাবে না। তাই বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ইচ্ছা থাকার পরও সেভাবে পাঠানো গেলো না। তিনি আরো লিখেছেন, শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের মাধ্যমে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলাম, লাগেজ হিসেবে। তারাহুড়া করে চারটি স্যুটকেস সংগ্রহ করলাম। এক হাজার কেএন৯৫, এক হাজার এন৯৫, সার্জিক্যাল মাস্ক পাঁচ হাজার, পাঁচ হাজার গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ইত্যাদি। শেষ পর্যন্ত দশ ঘন্টার রাউন্ড ট্রিপ ড্রাইভ করে নিউইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটন ডিসিতে চলে গেলাম, যাত্রীদের হাতে সেইসব স্যুটকেস তুলে দেয়ার জন্য। সবাই খুব সানন্দে এগুলো নেবার জন্যে রাজি হলেন। যারা নিতে চাইলেন, এমন কয়েকজনের মাধ্যমে সেগুলো বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিলাম। ধন্যবাদ। সাথে দু’জন মুমূর্ষু রোগীর ওষুধও পাঠিয়ে দিলাম।
যারা আমেরিকায় থাকেন, বাংলাদেশে আছেন এই মূহুর্তে। পুরো ব্যাপারটির মধ্যে আমার আবেগ জড়িত ছিল, প্রিয় বাংলাদেশ ভালো থেকো। সহযোদ্ধারা চলুন দেশসেবার ব্রত হিসেবে একসাথে কাজ করি।